মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১১

ভিবি.নেটে আমার লেখা দুটি ছোট্ট প্রোগ্রাম!

ভিবি.নেট শেখার ইচ্ছে আমার একদমই ছিল না। এক রকম বাধ্য হয়েই ভিবি.নেট শেখা শুরু করি। উল্লেখ্য, আমি প্রোগ্রামিং শেখা শুরু করেছি আড়াই মাসের মত হবে। আর এই প্রোগ্রামিং – এ আমার হাতে-খড়ি এক রকম ভিবি.নেট দিয়েই হয়। তা এই ভিবি.নেটে আমি দুটি ছোট্ট প্রোগ্রাম লিখেছি। যদিও কারও কাজে আসবে বলে আমার মনে হয় না। তারপরও ভাবলাম কারও কাজে না আসলেও শেয়ার করতেতো কোন সমস্যা নেই। দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে প্রোগ্রাম দুটি অযত্নে পড়ে ছিল। তাই আজ প্রোগ্রাম দুটি একটু ঘষে-মেজে আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।

টাইম মেশিন
না, এই প্রোগ্রাম আপনাকে অতীত বা ভবিষ্যতে নিয়ে যাবে না। এটি একটি সাধারণ এইজ ক্যালকুলেটর। টাইম মেশিন নামে এ্যাপলের ইতিমধ্যেই একটি সফটওয়্যার রয়েছে। জেনে শুনে এই নাম দেওয়ার রহস্য নিজের কাছেই পরিষ্কার না! ভিবি.নেট নিয়ে ৩/৪ দিন গুঁতোগুঁতি করার পরই এই প্রোগ্রামটি লিখি। তাই বুঝতেই পারছেন খুবই হাস্যকর কোডিং আছে এই প্রোগ্রামে। আপনাদের কথা বাদই দিলাম, আমার নিজেরই এই প্রোগ্রামের কোড দেখলে এখন হাসি পায়! সহজ একটি কোডকে অনেক ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে লিখেছি। অল্প বিদ্যা ভয়ংকরীর একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ এটি!


স্ক্রিনশট # ০১


স্ক্রিনশট # ০২

এই প্রোগ্রামটি কতটুকু নিখুঁত হিসাব করে তা নিয়ে আমার নিজেরই সংশয় আছে!

গুড নাইট
এটি একটি স্লিপ টাইমার। আজ থেকে ৫/৬ বছর আগে একবার কম্পিউটারের জন্য স্লিপ টাইমার খুঁজতে গিয়ে আমাকে বেশ বেগ পোহাতে হয়েছিল। তখন সাইবার ক্যাফে গিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতাম। তো সাইবার ক্যাফে গিয়ে অনেক কষ্ট করে ডাউনলোড করেছিলাম একটি স্লিপ টাইমার। হঠাৎ করে সেই স্মৃতি মনে পড়ে যাওয়াতে ভাবলাম একটি স্লিপ টাইমার বানিয়ে ফেলি! তাই বানিয়ে ফেললাম।


স্ক্রিনশট # ০১


স্ক্রিনশট # ০২

আর হ্যাঁ, দ্যা এমআইটি লাইসেন্স (এমআইটি) – এর আওতায় প্রোগ্রাম দুটি রিলিজ করা হল। প্রোগ্রাম দুটি শুধুমাত্র উইন্ডোজ প্লাটফর্মে রান করবে এবং .নেট ফ্রেমওয়ার্ক ৩.৫ ইনস্টল করা থাকতে হবে।

প্রোগ্রাম দুটির ইন্টারফেস হয়ত অনেকের কাছেই ভাল লাগবে না। একবার ভেবেছিলাম এই ইন্টারফেস পরিবর্তন করব, তারপর কেন জানি প্রোগ্রাম দুটি নিয়ে আর কাজ করা হয়নি! ভিবি.নেট নিয়ে গুঁতোগুঁতি করা প্রায় ছেড়েই দিয়েছি। খুব শীঘ্রই অন্য কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের উপর ঝাপিয়ে পড়ব। তাই ইতিহাসের পাতায় প্রোগ্রাম দুটির নাম লিখে রাখলাম। কোন ভুল করে থাকলে তা ক্ষমাসুলভ দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ রইল।

সোমবার, ৬ জুন, ২০১১

যারা লিনাক্সের প্রচারণা করছেন বা করতে চান তাদের উদ্দেশ্যে

প্রথমত, লিনাক্সের প্রচারণা করতে হলে যে উইন্ডোজের বিপক্ষে গিয়েই করতে হবে তা না। কোন কিছুর ভক্ত হওয়া ভাল, তবে অন্ধ ভক্ত হওয়া ভাল না।

এক কাজ করুন, লিনাক্সের সুবিধা-অসুবিধাগুলো তুলে ধরুন। উইন্ডোজের সাথে লিনাক্সের তুলনা করার কোনই প্রয়োজন নেই। কেননা যে উইন্ডোজ ব্যবহারকারী সে নিজেও জানে উইন্ডোজের সুবিধা-অসুবিধাগুলো কী কী।

আর পাইরেসির দোহাই দিয়ে উইন্ডোজে ব্যবহারকারীদের লিনাক্সে টেনে আনা বড্ড বোকামি। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীদের এতটুকু বলা যেতে পারে যে, সফটওয়্যার পাইরেসি করতে না চাইলে আপনি লিনাক্স ব্যবহার করে দেখতে পারেন। তবে তাকে চোর চোর বলে ডাকার কোন প্রয়োজন নেই। কেউ যদি তার চাহিদা লিনাক্সে পূরণ করতে না পারে, তো আপনারই বা কী করার আছে?

ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার সম্পর্কে আলোচনা করতে পারেন। এখন বেশির ভাগ ফ্রি এবং ওপেন সোর্স সফটওয়্যার লিনাক্সে যেমন রান করে, তেমনি উইন্ডোজেও করে। তাই একজন উইন্ডোজ ব্যবহারকারীও সফটওয়্যার পাইরেসি মোকাবেলায় ভূমিকা রাখতে পারেন। একটু ভেঙে লিখতে হলে, লিব্রেঅফিস, গিম্প বা ইত্যাদি সফটওয়্যারগুলো ব্যবহার করার জন্য কম্পিউটারে লিনাক্স ইনস্টল করার কোন প্রয়োজন নেই। উইন্ডোজেও সফটওয়্যারগুলো রান করা সম্ভব। এখন যারা লিনাক্স হচ্ছে ওপেন সোর্স, লিনাক্সের সোর্স কোড মডিফাই করে নিজের মত সাজিয়ে নেওয়া যায় ইত্যাদি বলে বেড়ান তাদের কয়জন লিনাক্সের সোর্স কোড ডাউনলোড করে দেখেছেন? আর কয়জনই বা জানেন লিনাক্স থেকে কোন প্যাকেজ বা সফটওয়্যারের সোর্স কোড কিভাবে ডাউনলোড করতে হয়? তাই লিনাক্স যে ওপেন সোর্স শুধু এতটুকুই বলুন, তাই যথেষ্ট।

মাইক্রোসফট অফিসের সাথে লিব্রেঅফিস, ফটোশপের সাথে গিম্প কিংবা প্রফেশনাল মানের কম্পিউটার গেমের সাথে খেলনা কম্পিউটার গেমর তুলনা না করাই মনে হয় ভাল। ফটোশপের জন্য অনেক এ্যাকশন, ব্রাশ প্রভৃতি পাওয়া যায়। ফলে একটি কাজ অনেক সহজেই করা যায়। এখন যে প্রফেশনালি গ্রাফিক্সের কাজ করে তার গিম্প নিয়ে খেলা করার সময় নেই। হয় তাকে গিম্পের জন্য ঐ ধরণের এ্যাকশন, ব্রাশ ইত্যাদি এনে দিন, না হয় এই প্রসঙ্গে আলোচনা বন্ধ রাখুন। এখন যদি বলেন লিনাক্সে ওয়াইন দিয়ে ফটোশপ চালানো যায়, তাহলে আমি বলব উইন্ডোজ প্লাটফর্মের ফটোশপই যদি চালাতে হয় তবে তার জন্য লিনাক্সে শিফ্ট করার কোন প্রয়োজন আদৌ আছে কি?

লিনাক্সের ড্রাইভার সমর্থন খুবই ভাল তা আমি জানি। তবে যাদের প্রিন্টার বা স্ক্যানার স্বয়ংক্রিয়ভাবে সমর্থন করে না কেবল তারাই জানে ঐ প্রিন্টার বা স্ক্যানার চালাতে তাদের কত কষ্ট করতে হয়েছে। শুধু প্রিন্টার বা স্ক্যানারই না, এই রকম অনেক ডিভাইসই আছে যা লিনাক্সে চালাতে অনেকেরই অনেক বেগ পোহাতে হয়েছে। শুধু তাই না এমনও অনেকে ব্যবহারকারী আছেন যারা তাদের ডিভাইস আজও লিনাক্সে চালাতে পারেননি। মানুষ কম্পিউটার ব্যবহার করে দ্রুত কাজ করার জন্য। এখন এই কম্পিউটারই যদি কাজের গতি মন্থর করে দেয় তাহলেতো সমস্যা।

মাইক্রোসফট কর্পোরেশন যখন স্কাইপ লিমিটেড কিনে নেয় তখন অনেক লিনাক্স ব্যবহারকারীর আচরণ দেখে মনে হয়েছে তারা হতাশার সমুদ্রে হাবুডুবু খাচ্ছেন। অথচ তাদের অনেকেই হয়ত লক্ষ্য করেননি যে, লিনাক্সের জন্য স্পাইপ ডেভেলপ করা হচ্ছে না অনেকদিন থেকেই। স্কাইপের সর্বশেষ স্ট্যাবল উইন্ডোজ ভার্সন হচ্ছে ৫.৩.০.১১৬ এবং ম্যাক ওএস এক্স ভার্সন হচ্ছে ৫.১.০.৯৬৮। অথচ লিনাক্স ভার্সন হচ্ছে ২.২.০.২৫। এই দিকে যারা পিজিন বা এমপ্যাথি নিয়ে লাফালাফি করেন তাদের উদ্দেশ্যে, পিজিন বা এমপ্যাথি দিয়ে ফাইল আদান-প্রদান করতে এখনও অনেক সমস্যা হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই ফাইল আদান-প্রদান করা সম্ভব হয় না। আর ভয়েস চ্যাট প্রসঙ্গ না হয় বাদই দিলাম। তাই এই বিষয়ে বেশি বাড়াবাড়ি না করে সমস্যাগুলো তাদের খুলে বলুন।

এখন আমি কেন লিনাক্স ব্যবহার করি এই ধরণের প্রশ্ন কেউ আমাকে করলে সেটির উত্তরে আমি প্রায়ই বলি, আই'ভ মাই ওন রিজনস। আমি লক্ষ্য করেছি, আমার এই উত্তরে অনেকেরই লিনাক্সের প্রতি কৌতুহল বেড়ে যায় এবং লিনাক্স ব্যবহারে আগ্রহী হয়ে ওঠে। না, এটি কোন কৌশল না। অচেনাকে চেনা এবং অজানাকে জানা হচ্ছে মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট। অথচ উইন্ডোজের দুর্নাম করলে সেটির ফলাফল অবশ্যই উল্টো হত।

লিনাক্স যেমন সার্ভারে বহুল ব্যবহৃত, তেমনি ডেস্কটপে উইন্ডোজ বহুল ব্যবহৃত। এই সত্যটুকু লিনাক্স ব্যবহারকারীদের মেনে নেওয়া উচিত। তবে ভবিষ্যতে কোন অপারেটিং সিস্টেম রাজত্ব করবে এই ধরণের প্রশ্নের উত্তরে আমি সব সময়ই বলি, ওয়েল, টাইম'ল সে।

মনে রাখবেন, একচেটিয়া রাজত্ব কেউই কোন দিন করতে পারে না। দুর্বলের পতন হবেই। এখন এই দুর্বল অপারেটিং সিস্টেম যেমন উইন্ডোজ বা ম্যাক ওএস এক্স হতে পারে তেমনি লিনাক্সও হতে পারে। আর হ্যাঁ, ভবিষ্যতে লিনাক্সের চেয়ে উন্নত কার্নেল বা অপারেটিং সিস্টেমেরও দেখা মিলতে পারে। তখন সেটির জন্য লিনাক্সকেও জায়গা ছেড়ে দিতে হবে।

অনেকেই দেখে থাকবেন ছোট বাচ্চাদের জোর করে কোন কিছু খাওয়ানোর ঠিক পর মুহুর্তেই ওরা বমি করে দেয়। ঠিক ঐ একই কারণে কাউকে জোর করে লিনাক্স ব্যবহার করতে বাধ্য করবেন না। কেননা সেক্ষেত্রে হিতে বিপরীত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১১

ফায়ারফক্স ৪ বন্ধ করার সময় সক্রিয় ট্যাব এবং উইন্ডোগুলো সংরক্ষণ করুন

ফায়ারফক্স ৪ বন্ধ করার সময় Quit Firefox ডায়ালগ বক্সটি প্রদর্শিত হয় না। ফলে সক্রিয় ট্যাব বা উইন্ডোগুলো সংরক্ষণ করা যায় না। যা ব্যবহারকারীদের কাছে বেশ বিরক্তির সৃষ্টি করছে। তো সমস্যাটি সমাধান করতে ফায়ারফক্সের এ্যাড্রেস বারে about:config লিখে enter বাটনে প্রেস করুন। তাহলে একটি সতর্কতা বার্তা প্রদর্শিত হবে। সেটি অগ্রাহ্য করে I'll be careful, I promise! বাটনে ক্লিক করুন। এখন Filter: – এ browser.showQuitWarning টাইপ করুন। তাহলে প্রিফারেন্সেসগুলো ফিল্টার হয়ে শুধুমাত্র browser.showQuitWarning প্রিফারেন্সটি প্রদর্শিত হবে। সেটিতে রাইট ক্লিক করে Toogle – এ ক্লিক করুন।

এখন থেকে ফায়ারফক্স বন্ধ করার সময় Quit Firefox ডায়ালগ বক্সটি প্রদর্শিত হবে।

ফায়ারফক্স ৪ – এর এ্যাড-অন কম্প্যাটিবিলিটি চেক বন্ধ করুন

ফায়ারফক্সের প্রতিটি মেজর রিলিজের পর ব্যবহারকারীরা বেশ দুশ্চিন্তার মধ্যে পড়েন। আর এই দুশ্চিন্তার অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে, নতুন এই রিলিজটির সাথে তাদের ব্যবহৃত এ্যাড-অনগুলোর কম্প্যাটিবিলিটি নিয়ে। তো কোন এ্যাড-অন কম্প্যাটিবল না হলে সেটির নতুন আপডেট না আসা পর্যন্ত সেটি ব্যবহার করার একমাত্র উপায় হচ্ছে ফায়ারফক্সের এ্যাড-অন কম্প্যাটিবিলিটি চেক বন্ধ রাখা। সেজন্য ফায়ারফক্সের এ্যাড্রেস বারে about:config লিখে enter বাটনে প্রেস করুন। তাহলে একটি সতর্কতা বার্তা প্রদর্শিত হবে। সেটি অগ্রাহ্য করে I'll be careful, I promise! বাটনে ক্লিক করুন। এখন Preference Name কলামের অধীনে থাকা যে কোন একটি প্রেফারেন্সে রাইট ক্লিক করে NewBoolean নির্বাচন করুন। এবার নতুন প্রেফারেন্সটির নাম হিসেবে extensions.checkCompatibility.4.0 প্রবেশ করিয়ে OK বাটনে ক্লিক করুন। আর ভ্যালু হিসেবে false নির্বাচন করে এখানেও OK বাটনে ক্লিক করুন। এবার ফায়ারফক্স রিস্টার্ট করুন।

ব্যাস, এখন কোন এ্যাড-অন ফায়ারফক্স ৪ কম্প্যাটিবল না হলেও সেটি ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কিছু কিছু ইনকম্প্যাটিবল এ্যাড-অন ঠিক মত কাজ নাও করতে পারে।

লিনাক্স মিন্টে ব্যবহার করুন ফায়ারফক্স ৪

গতকাল বহু প্রতিক্ষীত ফায়ারফক্স ৪ রিলিজ হয়েছে। রিলিজ হওয়ার সাথে সাথে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে সেটি ব্যবহার করার ধুম পড়ে যায়। তবে নীতিগত কারণে লিনাক্স মিন্ট ব্যবহারকারীরা সেটি ব্যবহার করতে পারছিলেন না। তবে সুখবর হচ্ছে ফায়ারফক্স স্ট্যাবল পিপিএতে ইতিমধ্যেই ফায়ারফক্স ৪.০ প্যাকেজটি চলে এসেছে। তো এখন যারা ফায়ারফক্স ৪ ব্যবহার করতে চাচ্ছেন তারা খুব সহজেই নিচের কমান্ডগুলো টার্মিন্যালে রান করিয়ে কাজটি করতে পারেন।
sudo add-apt-repository ppa:mozillateam/firefox-stable
sudo apt-get update && sudo apt-get upgrade


এই পদ্ধতিতে কম্পিউটারে ইনস্টল করা পুরাতন ফায়ারফক্সটি আপগ্রেড হবে। ফায়ারফক্স ৩.৬ এবং ফায়ারফক্স ৪ স্ট্যান্ডএ্যালোন হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন না।


স্ক্রিনশটঃ ফায়ারফক্স ৪.০

লিনাক্স মিন্টে ইনস্টল করুন টারপিয়াল

বর্তমানে লিনাক্স মিন্টে ডিফল্টভাবেই একটি সোসাল নেটওয়ার্কিং ক্লায়েন্ট দেওয়া থাকে। তবে টুইটার ক্লায়েন্ট হিসেবে ঐ ক্লায়েন্টটি অনেকেই ব্যবহার করেন না কিংবা করতে চান না। তো আজ আমি আমার পছন্দের একটি টুইটার ক্লায়েন্টের সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দিতে যাচ্ছি। পাইথনে লেখা এবং খুবই লাইটওয়েট এই টুইটার ক্লায়েন্টটির নাম হচ্ছে টারপিয়াল। এটি একটি স্প্যানিশ শব্দ এবং ভেনিজুয়েলার জাতীয় পাখির নাম। একটি আদর্শ টুইটার ক্লায়েন্টে যেই ফিচারগুলো থাকা উচিত, টারপিয়ালে সেগুলোর প্রায় সবই আছে। যাই হোক, ক্লায়েন্টটি ইনস্টল করতে হলে নিচের কমান্ডগুলো টার্মিন্যালে রান করুন।
sudo add-apt-repository ppa:effie-jayx/turpial
sudo apt-get update && sudo apt-get install turpial


আর টারপিয়ালের ডেভেলপমেন্ট রিলিজ ব্যবহার করতে চাইলে নিচের কমান্ডটি রান করুন।
sudo add-apt-repository ppa:effie-jayx/turpial



স্ক্রিনশটঃ টারপিয়াল ১.৩.৪

জুলিয়াতে ইনস্টল করুন অভ্র কিবোর্ড লেআউট

জুলিয়া ব্যবহারকারীদের প্রায়ই অভিযোগ করতে শোনা যায় যে, তারা জুলিয়াতে অভ্র কিবোর্ড লেআউট ইনস্টল করতে পারছেন না বা ব্যবহার করতে পারছেন না। তো এখানে সেই সকল ব্যবহারকারীদের জন্য ধাপে ধাপে অভ্র কিবোর্ড লেআউট ইনস্টল করার প্রক্রিয়া উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথমে scim প্যাকেজটি ইনস্টল করতে হবে। সেজন্য নিচের কমান্ডটি টার্মিন্যালে রান করুন।
sudo apt-get install scim

এখন scim-avro_0.0.2-1ubuntu9.10_i386.deb ডাউনলোড করুন। এবার ডাউনলোড করা প্যাকেজটিতে রাইট ক্লিক করে Properties নির্বাচন করুন। প্রোপার্টিস উইন্ডো প্রদর্শিত হলে Permissions ট্যাব থেকে Execute: Allow executing file as program চেকবক্সটি চেক করে Close বাটনে প্রেস করুন। এখন প্যাকেজটিতে ডবল ক্লিক করুন এবং Install Package বাটনে প্রেস করে প্যাকেজটি ইনস্টল করুন। প্যাকেজটি ইনস্টল হলে নিচের কমান্ডটি রান করুন।
im-switch -c

অতঃপর একটি উইন্ডোতে প্রদর্শিত হবে এবং সেখানে একটি তালিকা দেখতে পাবেন। তালিকাটি থেকে Use SCIM via xim (sim) চেকবক্সটি চেক করে OK বাটনে প্রেস করুন। একটি ডায়ালগ বক্স প্রদর্শিত হলে সেখানেও OK বাটনে প্রেস করুন। এরপর কম্পিউটার লগআউট করে লগইন করুন। এখন যে কোন টেক্সট ফিল্ডে ইনসার্শন পয়েন্ট রেখে ctrl + space bar প্রেস করলেই অভ্র কিবোর্ড লেআউট ব্যবহার করে বাংলাতে লিখতে পারবেন। আর ডিফল্ট কিবোর্ড লেআউটে ফিরে যেতে পুণরায় ctrl + space bar প্রেস করুন।


স্ক্রিনশট # ০১

কৃতজ্ঞতাঃ রিফাত নবি