মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০০৯

লিনাক্স মিন্টে ইনস্টল করুন Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সন

Vuze (formerly Azureus) বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় বিটটরেন্ট ক্লায়েক্ট - গুলোর একটি। আমি যখন উইনডোজ ছেড়ে দেই অর্থাৎ লিনাক্স ব্যবহার শুরু করার কয়েকদিন পূর্বে উইনডোজে Vuze ব্যবহার করেছিলাম। Vuze ব্যবহারের পূর্বে উইনডোজে আমি BitTorrent অথবা μTorrent ব্যবহার করতাম। মধ্যে কিছুদিন LimeWire ব্যবহার করলেও LimeWire - এর প্রতি কখনোই আকৃষ্ট হয়নি। যাই হোক উইনডোজ ছেড়ে লিনাক্সে আসার পর কেন যেন Transmission - কে কিছুতেই আপন করে নিতে পারছিলাম না। তাই লিনাক্সে BitTorrent, μTorrent এবং Vuze খুঁজছিলাম। পরে জানতে পারি μTorrent লিনাক্সের জন্য রয়েছে তবে তা চালাতে হলে কম্পিউটারে ওয়াইন থাকতে হবে। আর আমি যেহেতু ওয়াইন ব্যবহার করতে আগ্রহী ছিলাম না তাই μTorrent - এর চিন্তা মাথা থেকে দূরে সরিয়ে রাখলাম। অবশ্য এর আরেকটি কারণও ছিল। আর তা হচ্ছে লিনাক্সে Vuze - ও রয়েছে। অতঃপর মুখে লম্বা হাসি টেনে রিপো থেকে ইনস্টল করলাম Vuze। কার্মিকের রিপোতে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সনটি থাকলেও জন্টির রিপোতে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সনের বদলে ৩.১ থাকায় Vuze চালু করলেই আপডেট সংক্রান্ত ত্রুটি (এরর) বার্তা (মেসেজ) প্রদর্শন করত। কিন্তু স্বভাবগত কারণেই আমি হার মানতে রাজি নই। ফলে Vuze - এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সনের টারবল আর্কাইভ ডাউনলোড করে অনেক চেষ্টার পর Vuze ইনস্টল করে ব্যবহার শুরু করলাম। কিন্তু ডেবিয়ান প্রেমী হওয়ায় Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সনটির ডেব প্যাকেজের অভাব অনুভব করতাম সব সময়। তাই টারবল প্যাকেজ থেকেও Vuze বেশি দিন ব্যবহার করা হল না। ফিরে গেলাম সেই Transmission - এ। কিন্তু গতকাল হঠাৎ করেই আবিষ্কার করলাম লিনাক্স মিন্টে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সন খুব সহজেই রিপো থেকে ইনস্টল করা যায়। যার ফল স্বরূপ রিপো থেকেই Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সন ইনস্টল করে রীতিমত ডাউনলোডের সমুদ্রে ডুবে গেলাম। আর সমুদ্রে প্রতি সবারই একটু দুর্বলতা থাকে। তাই ভাবলাম ডাউনলোডের সমুদ্র সৈকতে আপনাদেরও নিয়ে যাই। খরচাপাতি না হয় আমিই দিলাম। তাই আজ খরচাপাতি হিসেবে লিনাক্স মিন্টে কিভাবে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সন রিপো থেকে ইনস্টল করা যায় সেই পদ্ধতি উল্লেখ করছি।

Vuze কেন? অন্য কোন বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট নয় কেন?
Vuze ব্যবহারের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে Vuze - এর এইচডি নেটওয়ার্ক। যেখানে রয়েছে এইচডি ভিডিও - এর বিশাল সংগ্রহশালা। সাথে সদ্য মুক্তি প্রাপ্ত, টপ রেটেড/জনপ্রিয় মুভিগুলোর সর্বশেষ তথ্য। সাথে শর্ত সাপেক্ষে সেগুলো ডাউনলোডের সুবিধাও। সাথে আরও অনেক ফিচার। আসলে Vuze - একবার চেখে না দেখলে ঠিক লিখে বোঝানো যাবে না। তবে Vuze - এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটের এই লিংক থেকে Vuze - এর কিছু স্ক্রিনসট দেখতে পারেন।

যেভাবে লিনাক্স মিন্টে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সন ইনস্টল করবেন
mintMenu → Package manager চালু করুন। অথবা আপনার পছন্দ মত যে কোন পদ্ধতিতে প্যাকেজ ম্যানেজার চালু করুন। এবার প্যাকেজ ম্যানেজারের Settings → Repositories নেভিগেট করুন। এবার লিনাক্স মিন্টের কমিউনিটি রিপোটি সক্রিয় করুন। অর্থাৎ ৩ # URI - টি সক্রিয় করুন। প্রয়োজনে নিচের ০১ # স্ক্রিনসটটি দেখুন। অবশ্য আপনি চাইলে ৩ # - এর সাথে ৬ # URI - টিও সক্রিয় করতে পারেন।

স্ক্রিনশট # ০১
এখন প্যাকেজ ম্যানেজারের রিলোড বাটনে ক্লিক করে repository তালিকাটি আপডেট করুন। এবার প্যাকেজ ম্যানেজার থেকে অথবা টার্মিন্যালে নিচের কমান্ডটি রান করে vuze প্যাকেজটি ইনস্টল করুন।
sudo apt-get install vuze
Vuze ইনস্টল হয়ে গেলে Vuze চালুর পূর্বে /usr/lib ডিরেক্টরির vuze ফোল্ডারটিকে রাইটের অনুমতি দিতে হবে। কেননা Vuze ঐ ফোল্ডারে আপডেট ইনস্টল করবে। আর লিনাক্সে /usr/lib ডিরেক্টরিটির জন্য সাধারণ ব্যবহারকারীদের অ্যাক্সেস না থাকায় Vuze আপডেট হতে পারবে না। তাই ঐ ফোল্ডারটিকে এখন আমরা রিড এবং রাইটের সম্পূর্ণ অনুমতি দেব। যদিও এই অনুমতি দেয়ার কাজটি গ্রাফিক্যালি করা যায় কিন্তু আমরা কমান্ড লাইনে করব। আর কমান্ড লাইনের অনেকগুলো পদ্ধতি হতে আমরা chmod ব্যবহার করব। যাই হোক ঐ ফোল্ডারটিকে রিড এবং রাইটের অনুমতি দিতে নিচের কমান্ডটি টার্মিন্যালে রান করুন।
sudo chmod -R 777 /usr/lib/vuze
এখন mintMenu → All/Internet → Vuze নেভিগেট করে Vuze চালু করুন। Vuze চালু হবার পর নিজ থেকেই Vuze Updater চালু হয়ে যাবে নিচের ০২ # স্ক্রিনসটটির মত। আর Vuze Updater রিপো থেকে Vuze - এর সর্বশেষ ভার্সনটি ডাউনলোড করে এবং ইনস্টল করবে।

স্ক্রিনশট # ০২

দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে এই মুহুর্তে ডাউনলোডের সমুদ্র সৈকতে আপনি হাজির। এখন শুধু ডুব দেয়ার পালা . . .

নোটঃ /usr/lib ডিরেক্টরির vuze ফোল্ডারটিকে রাইটের অনুমতি না দিয়ে Vuze - কে রুট ইউজার অ্যাক্সেস দিলেও আপডেট সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। কিন্তু Vuze - কে রুট ইউজার অ্যাক্সেস দেয়া তুলনামূলক কম নিরাপদ হওয়ায় পদ্ধতিটি উল্লেখ করিনি।

সতর্কতা
  • অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ আপনার কম্পিউটার ব্যবহার করলে যেন Vuze - এর মাধ্যমে
    (StudioHD Network) ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে সতর্ক থাকুন। প্রয়োজনে Vuze - এ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করুন।

  • আপত্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে না চাইলে ফিল্টার ব্যবহার করুন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য
  • টরেন্ট প্রযুক্তি যেন অভিশাপে পরিণত না হয় তাই এর অপব্যবহার থেকে বিরত থাকা আমাদের সকলের দায়িত্ব।

বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০০৯

ফিলিসার প্রিন্টিং হিস্টোরি মুছুন

প্রথমে http://localhost:631/ - এ গিয়ে বাটনে প্রেস করুন। এবার আপনার প্রিন্টার এবং প্রিন্টার সংক্রান্ত কিছু তথ্য প্রদর্শিত হবে। আর প্রিন্টার সংক্রান্ত তথ্যের নিচে বাটনটি দেখতে পাবেন। সেখানে প্রেস করুন। তাহলেই আপনার পূর্বের সকল প্রিন্টিং হিস্টোরি মুছে যাবে। আর যদি চান ভবিষ্যতে কোন প্রিন্টিং হিস্টোরি সংরক্ষণ করবেন না তাহলে System → Administration → Printing → Server → Settings → Advanced থেকে ‘Do not preserve job history’ নির্বাচন করে দিন।

নোটঃ username এবং password হিসেবে আপনার কম্পিউটারের username এবং password ব্যবহার করতে হবে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০০৯

লিনাক্স মিন্টে স্বয়ংক্রিয়ভাবে তৈরী করুন টেক্সক্ট ব্যানার

লিনাক্স মিন্ট, উবুন্টু অথবা সমজাতীয় প্লাটফর্মে আপনি খুব সহজেই টেক্সক্ট ব্যানার তৈরী করতে পারেন। যেটা হয়ত আপনি এতদিন টেক্সক্ট এডিটরে নিজেই তৈরী করেছেন। কিন্তু খুব সহজেই figlet নামক একটি প্যাকেজ ইনস্টল করে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই তৈরী করতে পারেন টেক্সক্ট ব্যানার।

figlet ইনস্টল করতে টার্মিন্যালে রান করুনঃ
sudo apt-get install figlet
ইনস্টলের পালা শেষ হলে নিচের ফরমেটটি অনুসরন করে আপনি যে কোন টেক্সক্ট টার্মিন্যালে রান করে খুব সহজেই সেটার টেক্সক্ট ব্যানার তৈরী করতে পারবেন।
figlet "text"
যেমনঃ
figlet "Ayon Khan"
যদি আপনি টার্মিন্যালে রান করেন সেক্ষেত্রে আউটপুট পাবেন নিচের ছবির মত।

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০০৯

নতুন কার্নেল ২.৬.৩১ রিলিজ হল

বিগত সেপ্টেম্বর ০৯, ২০০৯ লিনাক্সের সর্বশেষ স্ট্যাবল কার্নেল, কার্নেল লিনাক্স ২.৬.৩১ রিলিজ হয়। আপনি উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্ট ব্যবহার করে থাকলে নতুন কার্নেল ইনস্টল করে নিতে পারেন। আর সর্বশেষ কার্নেল সংক্রান্ত তথ্য পেতে এই লিংক দেখুন।

x64 এডিশনে ইনস্টলেশন পদ্ধতি
আপনি উবুন্টু বা মিন্টের এক্স৬৪ অর্থাৎ ৬৪ বিট এডিশন ব্যবহার করে থাকলে প্রথমে নিচের তিনটি প্যাকেজ ডাউনলোড করুন।
এবার যেভাবে ডাউনলোড করেছেন অর্থাৎ প্রথমে linux-headers-2.6.31-020631_2.6.31-020631_all.deb তারপর linux-headers-2.6.31-020631-generic_2.6.31-020631_amd64.deb এবং সবশেষে linux-image-2.6.31-020631-generic_2.6.31-020631_amd64.deb ইনস্টল করুন। এবার রিস্টার্ট দিলে ডিফল্টভাবেই নতুন কার্নেলে কম্পিউটার চালু হবে।

x86 এডিশনে ইনস্টলেশন পদ্ধতি
আপনি উবুন্টু বা মিন্টের এক্স৮৬ অর্থাৎ ৩২ বিট এডিশন ব্যবহার করে থাকলে প্রথমে নিচের তিনটি প্যাকেজ ডাউনলোড করুন।
এবার ইনস্টলের পালা। প্রথমে linux-headers-2.6.31-020631_2.6.31-020631_all.deb তারপর linux-headers-2.6.31-020631-generic_2.6.31-020631_i386.deb এবং সবশেষে linux-image-2.6.31-020631-generic_2.6.31-020631_i386.deb অর্থাৎ যেভাবে ডাউনলোড করেছেন সেভাবে পর্যায় ক্রমিকভাবে একটি একটি করে প্যাকেজ ইনস্টল করুন। এবার রিস্টার্ট দিলে ডিফল্টভাবেই নতুন কার্নেলে কম্পিউটার চালু হবে।

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০০৯

লিনাক্সে ব্রাউজার দিয়েই সফটওয়্যার বা প্যাকেজ ইনস্টল করুন

উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্টে আমরা সফটওয়্যার বা বিভিন্ন প্যাকেজ ইনস্টলের জন্য বেশ কয়েকটি পদ্ধতি ব্যবহার করে থাকি। যেমনঃ
  • টার্মিন্যাল

  • প্যাকেজ ম্যানেজার

  • অ্যাড/রিমুভ অ্যাপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার ম্যানেজার

  • সফটওয়্যার পোর্টাল - ইত্যাদি।
উপরের পদ্ধতিগুলো ছাড়াও খুব সহজে ব্রাউজারের মাধ্যমেই সফটওয়্যার বা বিভিন্ন প্যাকেজ ইনস্টল করা যায়। ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে ওয়েবসাইটের ঠিকানা লেখার মতই ব্যপারটা। ব্রাউজারের মাধ্যমে সফটওয়্যার বা বিভিন্ন প্যাকেজ ইনস্টলের জন্য apturl নামের একটি প্যাকেজ ইনস্টল থাকতে হয়। উবুন্টু ৭.১০ - এর পর থেকে ডিফল্টভাবেই উবুন্টুতে apturl প্যাকেজটি ইনস্টল অবস্থায় থাকে।

ব্রাউজারের মাধ্যমে সফটওয়্যার বা বিভিন্ন প্যাকেজ ইনস্টল করা
খুবই সহজ পদ্ধতি এটি। এর জন্য ব্রাউজার (মোজিলা ফায়ারফক্স) - এর অ্যাড্রেস বারে যে সফটওয়্যার বা প্যাকেজটি ইনস্টল করতে চাচ্ছেন তার নাম লিখুন শুধু নামের পূর্বে apt: বা apt:// জুড়ে দিন। নিচের ফরমেটটি দেখুনঃ
apt:সফটওয়্যার বা প্যাকেজের নাম
অথবা
apt://সফটওয়্যার বা প্যাকেজের নাম
মনে করুন আপনি বানশি মিডিয়া প্লেয়ার ইনস্টল করবেন। সেক্ষেত্রে আপনাকে ব্রাউজারের অ্যাড্রেস বারে লিখতে হবেঃ
apt:banshee
অথবা
apt://banshee
এভাবে খুব সহজেই আপনি ব্রাউজারের মাধ্যমেই বিভিন্ন সফটওয়্যার বা প্যাকেজ ইনস্টল করতে পারেন।

লিনাক্স মিন্ট ব্যবহারকারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ
লিনাক্স মিন্টে ডিফল্টভাবে apturl প্যাকেজটি ইনস্টল করা থাকেনা। তাই উপরে বর্ণিত সুবিধাটি লিনাক্স মিন্টে পেতে হলে apturl প্যাকেজটি প্রথমে ইনস্টল করে নিতে হবে। apturl প্যাকেজটি ইনস্টল করতে প্যাকেজ ম্যানেজারের কুইক সার্চ ফিল্ডে apturl লিখে সার্চ করে ইনস্টল করুন। অথবা টার্মিন্যালে নিচের কমান্ডটি লিখুনঃ
sudo apt-get install apturl

বুধবার, ২৬ আগস্ট, ২০০৯

উবুন্টুতে নতুন ইংলিশ ফন্ট ইনস্টল করুন

আমাকে দেখে অর্থাৎ আমার চাপে পড়ে আমার অনেক বন্ধুই লিনাক্স মিন্ট বা উবুন্টু ব্যবহার করতে শুরু করে। তারা অনেকেই আমাকে অভিযোগ করত মিন্ট বা উবুন্টুতে লেখার জন্য সুন্দর সুন্দর ফন্ট নেই। ওদের মত যারা একই সমস্যায় ভুগছেন তারা নতুন সুন্দর সুন্দর ফন্ট ইনস্টল করতে টার্মিনালে লিখুনঃ
sudo apt-get install ttf-sil-gentium ttf-dustin ttf-georgewilliams ttf-sjfonts sun-java6-fonts ttf-larabie-deco ttf-larabie-straight ttf-larabie-uncommon
এই একটি কমান্ডেই অনেক অনেক নতুন ফন্ট ইনস্টল হয়ে যাবে।

মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০০৯

ওয়ার্কস্পেস বা ডেস্কটপের কার্যকলাপ রেকর্ড করুন

অনেকদিন আগে শাটার – স্ক্রীনসট নেবার এক দারুণ সফটওয়্যার শিরোনামে শাটার নামক একটি স্ক্রিনশট নেবার সফটওয়্যারের কথা বলেছিলাম। আজ শেয়ার করতে যাচ্ছি আরেকটি সফটওয়্যারের কথা যেটা হয়ত আপনি এতদিন খুঁজছিলেন।

ইউটিউবে অনেক ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখা যায়। আর অনেকের প্রশ্ন হচ্ছে এই ভিডিওগুলো কিভাবে রেকর্ড করা হয়? ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে? তাদের জন্য বলছি এটা করতে ভিডিও ক্যামেরার প্রয়োজন নেই। সফটওয়্যার দিয়েই এটা করা যায়/হয়। লিনাক্সের এমনই একটি সফটওয়্যারের সাথে আজকে আপনাদের পরিচয় করাতে যাচ্ছি। সফটওয়্যারটির নাম gtk-recordMyDesktop। এটা দিয়ে আপনি খুব সহজেই আপনার ওয়ার্কস্পেস বা ডেস্কটপের কার্যকলাপ রেকর্ড করতে পারেন। প্যাকেজ ম্যানেজারে gtk-recordmydesktop লিখে সার্চ করে এই সফটওয়্যারটি ইনস্টল করতে পারেন। অথবা টার্মিন্যালে নিচের কমান্ডটি লিখেও ইনস্টল করতে পারেন।
sudo apt-get install gtk-recordmydesktop
সফটওয়্যারটিতে অবশ্য খুব বেশি ফিচার নেই। তবে কাজ চলে যায়।

মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০০৯

উবুন্টুতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ড্রাইভ মাউন্ট করুন

সহজ ভাষায় এর মানে হচ্ছে প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে যেন ড্রাইভগুলো ডেস্কটপ থেকে চলে না যায়। সেজন্য আপনাকে ntfs-config (যতটা জানি ntfs-config প্রয়োজন হলে নিজ থেকেই ntfs-3g ইনস্টল করে নেয়) ইনস্টল করতে হবে। তার জন্য টার্মিন্যালে লিখতে হবেঃ
sudo apt-get install ntfs-config
এটা ইনস্টল শেষ হলে। Applications → System Tools → NTFS Configuration Tool এ যান।

এখন আপনার রুট পাসওয়ার্ড দিন।

এখন আপনার কম্পিউটারের সকল এনটিএফএস ড্রাইভগুলো দেখাবে।

এখন যেসব ড্রাইভগুলোকে (আপনি সবগুলোই করতে পারেন) কনফিগার করতে চান, তা নির্বাচন করুন। এবং Apply করুন।

এখন নিচের ছবির মত Enable write support for internal device চেকবক্সটি চেক করুন এবং OK বাটন চাপুন।

এখন প্রতিবার কম্পিউটার চালু করলে আর ড্রাইভগুলো ডেস্কটপ থেকে চলে যাবে না।

শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০০৯

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে ইয়াহু! জিওসিটিস

কিছুদিন আগে (মার্চ ৩০, ২০০৯) বন্ধ হয়ে গেল ইয়াহু ব্রিফকেস। এই মাসের ১৩ তারিখ বন্ধ হতে যাচ্ছে ইয়াহু ৩৬০°। আর এবার ইয়াহু তাদের জিওসিটিস বন্ধ করার ঘোষণা দিল। আগামী অক্টোবর ২৬, ২০০৯ থেকে ইয়াহু জিওসিটিসের সকল কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তাই এই সার্ভিস ব্যবহারকারী সকলকে তাদের ফাইল ডাউনলোড তথা ফাইল সমূহ অন্যত্র হোস্টিং করতে অনুরোধ করেছে ইয়াহু!

বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০০৯

গুগল ক্রোম এখন লিনাক্সে!

লিনাক্সের জন্য গুগল ক্রোমের টেস্টিং রিলিজ পাওয়া যাচ্ছে।

স্ক্রিনশটঃ গুগল ক্রোম (লিনাক্স ভার্সন) ৩.০.১৯২.০

ডাউনলোড

ডেভেলপার রিলিজ (x86)
unstable_i386_deb
ডেভেলপার রিলিজ (x64)
unstable_amd64_deb

গুগল ক্রোম ইনস্টল করলে নিজ থেকেই গুগল রিপো অ্যাড করে নেবে। আর যেহেতু এটা টেস্টিং রিলিজ তাই বুঝতেই পারছেন এটা নিজ দায়িত্বে ব্যবহার করতে হবে।

শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০০৯

উবুন্টুতে চলবে লেক্সমার্ক ও ডেল - এর কিছু প্রিন্টার

আজ পর্যন্ত উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্টের x64 এডিশনের সাথে খুব বেশি সময় থাকা হয়নি। x64 এডিশন সেটআপ করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই আবার x86 এডিশনে ফেরত যেতে হয়েছে। এর কারণ একটাই, আমার লেক্সমার্ক জি৬৪৫ ইংকজেট প্রিন্টার x64 না চলা। তো কিছুদিন আগে হঠাৎ মাথায় কেন জানি ভূত চাপল x64 এডিশন ব্যবহার করতে হবেই। কিন্তু সেটা ইনস্টলের পর কি হবে সেটাও জানা ছিল। তাই এবার আর ইনস্টল না করে লাইভ সিডি চালিয়ে দিন-রাত একটার পর একটা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলাম কিভাবে প্রিন্টার চালানো যায়। শেষ পর্যন্ত দুই দিন লাইভ সিডি চালিয়ে বিভিন্ন গুঁতোগুঁতির পর একটা উপায় হলো। মানে চালাতে সক্ষম হলাম আর কি। যাই হোক নিচে কিভাবে করলাম সেটা উল্লেখ করছি তবে তার আগে বলে নিচ্ছি কি কি প্রিন্টার চালানো সম্ভব এই পদ্ধতিতে (জি৬০০ ড্রাইভার ইনস্টল করে)।

যেসব প্রিন্টার জি৬০০ ড্রাইভারে চলবে
লেক্সমার্কঃ ৫৭০০, এক্স১১০০, এক্স১১১০, এক্স১১৩০, এক্স১১৪০, এক্স১১৫০, এক্স১১৭০, এক্স১১৮৫, এক্স১১৯০, এক্স১১৯৫, এক্স১২৭০, জি২৫, জি৩৫, জি৫৫, জি৫১৩, জি৫১৫, জি৫১৭, জি৬০০, জি৬০৫, জি৬১২, জি৬১৫, জি৬৪০, জি৬৪৫, জি৭০৫, পি৩১৫০
ডেলঃ এ৯২০, ৭২০

x64 এডিশনে ইনস্টলেশন পদ্ধতি
১. প্রথমে ia32-libs এবং alien নামের দুটো প্যাকেজ ইনস্টল করতে হবে।
sudo apt-get install ia32-libs alien
২. এবার লেক্সমার্ক নামের একটি ফোল্ডার তৈরী করব এবং সেখানে ড্রাইভার ডাউনলোড করব।
cd ~/Desktop
mkdir lexmark
cd lexmark
wget http://www.downloaddelivery.com/srfilecache/CJLZ600LE-CUPS-1.0-1.TAR.gz
৩. এবার tar.gz আর্কাইভটিকে extract করব।
tar xvzf CJLZ600LE-CUPS-1.0-1.TAR.gz
৪. এবার নিচের কমান্ডগুলো একটি একটি করে টার্মিন্যালে লিখি।
tail -n +143 z600cups-1.0-1.gz.sh > install.tar.gz
tar xvzf install.tar.gz
sudo alien -t z600cups-1.0-1.i386.rpm
sudo alien -t z600llpddk-2.0-1.i386.rpm
tar xvzf z600llpddk-2.0.tgz
tar xvzf z600cups-1.0.tgz
cd usr
sudo cp -a * /usr
sudo ldconfig # Reloading library-database
এবার প্রিন্টার কনফিগারের পালা। প্রথমে System অথবা mintMenu → Administration → Printing → New > XXX (প্রিন্টারের নাম ও সিরিজ) → Make and Model এর Change → Lexmark → z600 (লিস্টের সবার শেষে) → Forward → Apply করুন। এবার আপনার প্রিন্টার x64 এডিশনেও চলবে।

x86 এডিশনে ইনস্টলেশন পদ্ধতি
যারা x86 এডিশন ব্যবহার করেন তারাও উপরের পদ্ধতিতে জি৬০০ ড্রাইভার ইনস্টল করতে পারেন। তবে ১ # - এ sudo apt-get install ia32-libs alien এর পরিবর্তে নিচের কমান্ডটি টার্মিন্যালে লিখতে হবে।
sudo apt-get install libstdc++5 alien
আর বাকিসব কিছু একইভাবে করতে হবে। তবে চাইলে খুব সহজেই দুটো ডেব প্যাকেজ ডাউনলোড করেও চালাতে পারবেন আপনার প্রিন্টার। সেজন্য z600cups এবং z600llpddk নামের দুটো ডেব প্যাকেজ ডাউনলোড করে ইনস্টল করতে হবে।
ডেব প্যাকেজ ডাউনলোড করুন
উপরোক্ত ফাইল দুটো ইনস্টল করার পূর্বে অাপনার ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় আছে কিনা নিশ্চিত করুন। অতঃপর যথাক্রমে z600cups এবং z600llpddk ইনস্টল করুন। আর যদি আপনার ইন্টারনেট না থাকে সেক্ষেত্রে libcupsys2 প্যাকেজটিও ডাউনলোড করতে হবে।
ডেব প্যাকেজ ডাউনলোড করুন
এবার যথাক্রমে libcupsys2, z600cups এবং z600llpddk ফাইল তিনটি একটি একটি করে ইনস্টল করুন। ব্যাস ইনস্টল শেষ। এবার প্রিন্টার কনফিগার করতে উপরের পদ্ধতি অনুসরণ করুন।

শনিবার, ২৭ জুন, ২০০৯

লিনাক্স মিন্টে সিস্টেম বিপ বন্ধ করুন

অনেকের কাছেই লিনাক্স মিন্ট শাট ডাউন বা রিস্টার্ট করার সময় সিস্টেম বিপটা পছন্দের না। যদিও আমার ভালো লাগে। তবে যারা এই বিপটা পছন্দ করেন না তারা খুব সহজেই এটা বন্ধ করতে পারেন। এর জন্য প্রথমে টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo gedit /etc/modprobe.d/blacklist
এবার টেক্সট এডিটর চালু হলে সেখানে নিচের লাইনটি বসিয়ে সেভ করুন।
blacklist pcspkr
কাজ শেষ। এখন থেকে প্রতিবার কম্পিউটার শাট ডাউন বা রিস্টার্ট করার সময় আর সিস্টেম বিপ দিবে না।

উপরের পদ্ধতি লিনাক্স মিন্টসহ উবুন্টু এবং উবুন্টুর যেকোন ভ্যারিয়েন্টে কাজ করবে।

বুধবার, ১০ জুন, ২০০৯

নতুন কার্নেল ২.৬.৩০ রিলিজ হল

আপনি উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্ট ব্যবহার করে থাকলে এই নতুন কার্নেল ২.৬.৩০ (স্ট্যাবল) - এ আপডেট করে নিতে পারেন। আপডেট করতে প্রথমে নিচের তিনটি প্যাকেজ ডাউনলোড করুন।
এবার যেভাবে ডাউনলোড করেছেন অর্থাৎ প্রথমে linux-headers-2.6.30-020630_2.6.30-020630_all.deb তারপর linux-headers-2.6.30-020630-generic_2.6.30-020630_i386.deb এবং সবশেষে linux-image-2.6.30-020630-generic_2.6.30-020630_i386.deb ইনস্টল করুন। এবার রিস্টার্ট দিলে ডিফল্টভাবেই নতুন কার্ণেলে কম্পিউটার চালু হবে।

শনিবার, ৩০ মে, ২০০৯

লিনাক্স মিন্টে MD5Sum পরীক্ষা করার সহজ উপায়

কেন পরীক্ষা করবেন?
মনে করুন আপনি দীর্ঘ সময় ধরে ডাউনলোড করেছেন লিনাক্স মিন্টের আইএসও। এবার সেটা সিডি/ডিভিডি - তে রাইট করার পর আর বুট হচ্ছেনা বা ইনস্টলের সময় এরর দেখাচ্ছে ফলে ইনস্টল করতে পারছেন না। এটা হতে পারে আইএসও - টি সম্পূর্ণ ডাউনলোড না হলে অথবা করাপ্টেড হলে। আর আপনার ডাউনলোড করা আইএসও - টি ঠিকমত ডাউনলোড হয়েছে কিনা সেটা যাচাই করতেই MD5Sum পরীক্ষা করা হয়। মনে রাখবেন এক বাইটের এদিক সেদিক হলেও MD5Sum মিলবে না। তাহলে চলুন দেখে নেই কিভাবে এটা পরীক্ষা করবেন।

দুটি পদ্ধতিতে MD5Sum পরীক্ষা করা যায়ঃ

পদ্ধতি # ০১ (কমান্ড লাইন ব্যবহার করে)
প্রথমে ডাউনলোড করা আইএসও - টি ডেস্কটপে রাখুন। এবার নিচের ফরমেট অনুসরণ করে টার্মিন্যালে লিখুনঃ
md5sum 
যেমনঃ
md5sum LinuxMint-7.iso
এখন যদি আপনার ডাউনলোড ঠিকমত হয়ে থাকে তাহলে আউটপুট পাবেনঃ
64e2a290fb51f8e7a9d058355fe93d0e  LinuxMint-7.iso
অর্থাৎ আপনার আউটপুটের সাথে সাইটে দেয়া md5sum মিলিয়ে নিন। ব্যস হয়ে গেল।

পদ্ধতি # ০২ (গ্রাফিক্যালি)
গ্রাফিক্যালি MD5Sum পরীক্ষা করতে প্রথমে আইএসও - টিতে রাইট ক্লিক (মাউসের) করুন এরপর সেখান থেকে MD5 Sum এ ক্লিক করুন (প্রয়োজনে নিচের ছবি দুটো দেখতে পারেন)। এরপর পদ্ধতি # ০১ - এর মত অর্থাৎ আপনার আউটপুটের সাথে সাইটে দেয়া md5sum মিলিয়ে নিন।

স্টেপ # ০১


স্টেপ # ০২

মনে রাখবেন যেই সাইট থেকে আপনি আইএসও - টি ডাউনলোড করেছেন সেই সাইটেই আইএসও - এর MD5Sum পেয়ে যাবেন।

শনিবার, ১৬ মে, ২০০৯

বিপ! রহস্যের সমাধান

প্রায়ই অনেককে বলতে শোনা যায় যে, কম্পিউটার - এ বিপ দিচ্ছে আর কম্পিউটারও চালু হচ্ছেনা। এখন আপনি যদি জেনে থাকেন কোন বিপ দিয়ে কি বোঝায় হয় তাহলে খুব সহজেই নিজেই বুঝতে পারবেন কম্পিউটার কেন চালু হচ্ছেনা। তাহলে চলুন জেনে নেই . . .

১ টি সর্ট বিপঃ কম্পিউটার সঠিকভাবে বুট করেছে।
২ টি সর্ট বিপঃ CMOS এরর।
১ টি লং ১ টি সর্ট বিপঃ DRAM অথবা লজিকবোর্ড এরর।
১ টি লং ২ টি সর্ট বিপঃ গ্রাফিক্স বা মনিটর এরর।
১ টি লং ৩ টি সর্ট বিপঃ কি-বোর্ড এরর।
১ টি লং ৯ টি সর্ট বিপঃ BIOS রম এরর।
চলমান লং বিপঃ DRAM এরর।
চলমান সর্ট বিপঃ পাওয়ার এরর।

তো এবার থেকে সমস্যা নিজেই সমাধান করে ফেলুন।

শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০০৯

উবুন্টু ব্যবহারের পূর্বে করণীয়

এই নিয়ে লেখার একদমই ইচ্ছে ছিলনা। তবে না লিখলেই যে নয়। আমি না হলে অন্য কেউ আজ হোক কাল হোক লিখবেই। কারণ লিখতে যে হবেই। তৃতীয় বিশ্বের এই ক্ষুদ্র দেশটা যে বিশ্বের কোন কিছুতে ভাল দিক থেকে এগিয়ে নেই। মন্দের রাজ্যের রাজা হয়ে সে বিশ্বের বুকে মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে রয়েছে। কিন্তু এ নিয়ে কারো কি কোন মাথাব্যথা আছে? আসলেই কি আছে? হ্যাঁ আছে। কিন্তু তার জন্য কোন কার্যকর পদক্ষেপ? না এটা নেই অবশ্যই। থাকলে আজ এই সবুজ-শ্যামলীতে ঘেরা চিরচেনা আপন বাংলাদেশটাকে এতটা পর মনে হতনা। আমি লেখক নই। আমি জানি না কি করে লেখা দিয়ে পাঠক হৃদয়কে আবেগপ্রবণ করতে হয়। যদি লেখক হতাম, তাহলে হয়ত আমার মৃত্যুর পর আমার লেখাগুলো স্কুল-কলেজের শিক্ষকরা নিজের মতন করে বলতেন। আমি যা বোঝাতে চাইনি সেটাও যা চেয়েছি তাও। শিরোনাম পড়ে যারা এই লেখা পড়তে এসেছেন, তারা হয়ত নিজের অজান্তেই আমার উপর ক্ষুব্দ হচ্ছেন। হবারই কথা, আমিও হতাম। কিন্তু বিশ্বাস করুন আমার যে আর কিছু করার ছিলনা। যে দেশটাকে জন্মের পর হতে মাতৃভূমি বলে মায়ের মতই ভালবেসে এসেছি সেই দেশকে নিয়ে নিজেরাই যখন খোচা দেই তখন যে খুব খারাপ লাগে। বাঙালি যে জাতি নিয়ে আমাদের গর্ব করার কথা ছিল সেই জাতিই কিনা আজ বেঈমানের প্রতীক। হয়ত কিছুদিন পর সাধারণজ্ঞানের বইয়ে সূর্যাস্তের দেশ এর সাথে যুক্ত হবে বেঈমানের দেশ বাংলাদেশ হিসেবে। এই স্বপ্ন নিয়েই কি লাখ লাখ বাঙালি নিজের প্রাণ দিয়ে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল এই ভাষা, এই দেশ? প্রশ্নটা আপনাদের কাছেই? বিবেক কি বলে দেখুন। যদি উত্তর পান হ্যাঁ এটাই তাদের কাম্য ছিল। তাহলে এই লেখা আর পড়ার প্রয়োজন নেই। এখানেই এই পেজটি বন্ধ করে দিন। আর যদি উত্তর হয় না, অবশ্যই সেটা কাম্য ছিলনা। তবে আপনাকে এই মূর্খের লেখায় স্বাগতম।

পাইরেসি! শুদ্ধ বাংলায় চুরি। আপনি জানেন যে আপনি চোর নন। কিন্তু পাইরেটেড সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন, তখন নিজেকে কি বলবেন? সাধু? নিশ্চয়ই নয়। তাহলে পাইরেসি বন্ধ করুন। টাকা দিয়ে কিনুন জেনুইন মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম এবং তাতে ব্যবহার করুন সব বৈধ সফটওয়্যার। যদি কেনার সামর্থ্য না থাকে তাহলে বিকল্প বেছে নিন। কেননা আপনার মত এরকম অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পাইরেসি আমাদের এই সোনার বাংলাতে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বালুকণার সমুদ্র গড়ে তোলা ভাবসম্প্রসারণের মতই ব্যপক রূপ নিয়েছে। যা নিয়ে আসতে পারেনি কোন স্বর্ণের মেডেল। কেবলই উপহার হিসেবে দেশের নাম লেখিয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় স্থানে থাকা পাইরেসির দেশ হিসেবে। এসব জেনে যদি আপনার দেশের জন্য কিছু করতে ইচ্ছা করে। তাহলে সর্ব প্রথম একটি ওয়াদা করুন। আর সেটা হচ্ছে নিজেকে বদলাতে হবে সবার আগে। তাহলে দেশ নিজ হতেই বদলাবে। আমি কখনও বলছিনা। আপনি উইনডোজ ব্যবহার করবেন না। শুধু এটাই বলতে চাচ্ছি যদি টাকা দিয়ে না কিনতে পারেন তাহলে অন্তত পাইরেসি করবেন না দয়া করে। তাই এরপর যদি কেউ বিকল্প হিসেবে উবুন্টু লিনাক্সকে বেছে নেন। তারপর মূহুর্তে কিছু অজ্ঞতার কারণেই পিছু হটেন উবুন্টু থেকে। কেন? তার জন্য দরকার কিছু সচেতনতা। আর বেশি কিছু নয়। আমরা যারা নিজের টাকা খরচ করে উবুন্টু/লিনাক্স/ওপেনসোর্স প্রসারে ব্যস্ত তাদের লাভ কি বলতে পারেন? দেশের জন্য কিছু করা। উন্নত বিশ্বে বাংলাদেশকে প্রতিষ্ঠা করা মাত্র। আর বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে সেই যুদ্ধের সৈণিক আমরা। যেহেতু আমরা অন্য কোন বিষয়ে তেমন একটা কিছু জানি না। শুধু কম্পিউটার নিয়েই কিছুটা জ্ঞান আছে তাই এই খাতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে আমাদের এই প্রচেষ্টা। আর কিছু নয়।

উবুন্টু ব্যবহারের পূর্বে করণীয়
এখন আসি উবুন্টু ব্যবহারের পূর্বে কি কি করণীয়। ধরে নিচ্ছি আপনার কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। এখন ভাল ভাবে জেনে নিন আমার ইন্টারনেট সংযোগের ধরণ কি এবং সেটা কি করে উবুন্টুতে কনফিগার করে? একটু কষ্ট করে গুগলে খুঁজলেই পাবেন। এখন দেখে নিন আপনার কম্পিউটারে কি কি হার্ডওয়্যার আপনি ব্যবহার করছেন (যেমন ধরুন, প্রিন্টার, ওয়েব ক্যাম, স্ক্যানার, টিভি কার্ড ইত্যাদি) এবং সেগুলোর ড্রাইভার উবুন্টুতে রয়েছে কিনা? এবার দেখুন আপনি কি কি সফটওয়্যার ব্যবহার করেন? অর্থাৎ কি কি ধরণের সফটওয়্যার ব্যবহার করছেন। সেগুলো বিকল্প উবুন্টুতে রয়েছে কিনা? যদি এতটুকু সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেন। তাহলে এবার আর একটু কষ্ট করে উবুন্টু ইনস্টলের একটা টিউটোরিয়াল জোগাড় করে ফেলুন। এবার কয়েকদিন উবুন্টু এর ব্যবহার প্রণালী অর্থাৎ কিভাবে উবুন্টু ব্যবহার করতে হয় তার শিখুন (টার্মিন্যাল, সাইন্যাপ্টিক এর ব্যবহার)। বিভিন্ন ফোরামেই এটা নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছে। এখন চাইলে টিউটোরিয়ালটা প্রিন্ট করে নিতে পারেন। নাহলে সেটা দেখে ধারণা নিয়ে উবুন্টু ইনস্টল শুরু করে দিন। উবুন্টু ইনস্টল শেষ হলে প্রথমে আপনার ইন্টারনেট সংযোগ কনফিগার করে নিন। এবার প্রয়োজনীয় ড্রাইভার, কোডেক/রেস্ট্রিকটেড এক্সট্রা, আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ইনস্টল করে নিন। আশা রাখি এই পদ্ধতিগুলো পালন করলে আপনাদের উবুন্টু হতে আর দূরে সরে যেতে হবেনা। বা আমাদের আপনাদের কাছ থেকে নতুন করে ব্যবহারবান্ধব কথাটার সংজ্ঞা শিখতে হবেনা।

একটা কথা হয়ত আপনারা শুনে থাকবেন, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আসলেই কি আমরা এগিয়ে যাচ্ছি? আমাদের এখনই এগিয়ে যাবার পথে হাঁটা শুরু করতে হবে। নতুবা অনেক দেরি হয়ে যাবে তখন আমাদের আর কিছুই করার থাকবেনা।
আমাদের এখনই এগিয়ে যাবার পথে হাঁটা শুরু করতে হবে। নতুবা অনেক দেরি হয়ে যাবে তখন আমাদের আর কিছুই করার থাকবেনা।
কথাটির তাৎপর্যঃ
দেখুন আপনারা যদি এখনই ওপেনসোর্স ব্যবহার শুরু করেন, তাহলে আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী নতুন নতুন সফটওয়্যার তৈরী করা বা আপনাদের চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। কিন্তু যদি আজ থেকে কয়েকবছর পর আপনারা ওপেনসোর্স ব্যবহার শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনাদের চাহিদা থাকবে অনেক কিন্তু সেই অনুযায়ী চাহিদা মেটানোর ক্ষমতা আমাদের থাকবেনা। তাই তখন আর কিছুই করার থাকবেনা।

তাই আর দেরি নয়, এখনই এগিয়ে আসুন।

বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০০৯

শাটার – স্ক্রীনসট নেবার এক দারুণ সফটওয়্যার

লিনাক্স যারা ব্যবহার করেন তারা অনেকেই হয়ত স্ক্রীনসট নেবার পর মাইক্রোসফট পেইন্ট খুব মিস করেন। কেননা মাইক্রোসফট পেইন্টে আপনি খুব সহজেই আপনার নেয়া স্ক্রীনসটে আঁকাআঁকি করতে পারেন। যেমনঃ কোন জিনিস হাইলাইট করতে রাউন্ড সেইপ ব্যবহার বা কোথাও কোন টেক্সট দেয়া। এসব ছোটখাট কাজের জন্য গিম্প হয়ত একটু ঝামেলারই মনে হবে। তবে এখন আর কোন ঝামেলা নয়। শাটার নামক স্ক্রীনসট নেবার দুর্দান্ত সফটওয়্যার দিয়ে এসব কাজ খুব অনায়াসেই করা সম্ভব।

শাটার – এর কিছু সুবিধা
  • পুরো পর্দার স্ক্রীনসট নেয়া।

  • কোন ওয়েবসাইট বা উইন্ডোর সম্পূর্ণ স্ক্রীনসট নেয়া।

  • নির্দিষ্ট কিছু অংশের স্ক্রীনসট নেয়া।

  • স্ক্রীনসট নেয়া ছবিতে রাউন্ড, স্কয়ার, লাইন, অপ্রয়োজনীয় লেখা সেন্সর, কোন টেক্সট বা ছবি যুক্ত করা ইত্যাদি সুবিধা পাবেন।
শুধুমাত্র উবুন্টু ব্যবহারকারী
নিচের সোর্স গুলো আপনার সোর্স লিষ্টে যুক্ত করুন। সোর্স লিস্ট যুক্ত করতে System → Administration → Software Sources চালু করুন। আপনার কম্পিউটারের রুট পাসওয়ার্ড দিন। Third-Party Software ট্যাবে ক্লিক করুন। সেখান থেকে Add এ ক্লিক করে নিচের সোর্সগুলো অ্যাড করুন (অবশ্যই একটা একটা করে)।

ইন্ট্রাপিড আইবেক্স ব্যবহারকারী
deb http://ppa.launchpad.net/shutter/ppa/ubuntu intrepid main
deb-src http://ppa.launchpad.net/shutter/ppa/ubuntu intrepid main
জন্টি জ্যাকালোপ ব্যবহারকারী
deb http://ppa.launchpad.net/shutter/ppa/ubuntu jaunty main
deb-src http://ppa.launchpad.net/shutter/ppa/ubuntu jaunty main

শুধুমাত্র লিনাক্স মিন্ট ৬ ব্যবহারকারী

সোর্স লিস্টে যুক্ত করতে টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo gedit /etc/apt/sources.list
এবার আপনার রুট পাসওয়ার্ড দিন। এবার সোর্স লিস্টের একদম নিচে অর্থাৎ
## +++ Medibuntu (stable) +++
deb http://packages.medibuntu.org/ intrepid free non-free
এরপর নিচের লাইন দুটো বসিয়ে সেভ করুন।
deb http://ppa.launchpad.net/shutter/ppa/ubuntu intrepid main
deb-src http://ppa.launchpad.net/shutter/ppa/ubuntu intrepid main
উবুন্টু বা লিনাক্স মিন্ট ব্যবহারকারী এবার নিচের কমান্ডগুলো একটা একটা করে টার্মিন্যালে লিখুনঃ
wget -q http://shutter-project.org/shutter-ppa.key -O- | sudo apt-key add -
sudo apt-get update
এবার শাটার ইনস্টল করতে টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo apt-get install shutter
ব্যাস হয়ে গেল শাটার ইনস্টল।
উবুন্টুতে এখন এই শাটারের অবস্থান Applications → Accessories → Shutter - Screenshot Tool
লিনাক্স মিন্ট ৬ - এ এখন এই শাটারের অবস্থান Mint Menu → Accessories → Shutter - Screenshot Tool
অথবা টার্মিন্যালে নিচের কমান্ডটি লিখেও শাটার চালু করতে পারেনঃ
shutter

স্ক্রিনশটঃ শাটার

আর হ্যাঁ, কোন কিছু ইনস্টল না করেও কিন্তু আপনি স্ক্রীনসট নিতে পারেন। সেজন্য টার্মিন্যালে লিখুনঃ
gnome-panel-screenshot
আর নির্দিষ্ট সময় পর স্ক্রীনসট নিতে চাইলে নিচের ফরমেট অনুযায়ী টার্মিন্যালে লিখুনঃ
gnome-panel-screenshot --delay সময় (সেকেন্ড)
যেমন ১০ সেকেন্ড পর স্ক্রীনসট নিতে চাইলেঃ
gnome-panel-screenshot --delay 10

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০০৯

লিনাক্স মিন্টে ইউনিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহার করে বাংলা লিখুন

লিনাক্স মিন্টে ইউনিজয় কিবোর্ড লেআউট ব্যবহার করে বাংলা লিখতে প্রথমে স্কিম-এম১৭এন প্যাকেজটি ইনস্টল করতে হবে। সেজন্য নিচের কমান্ডটি টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo apt-get install scim-m17n

এবার scim-m17n ইনস্টলের জন্য অনুমতি চাইলে আপনার রুট পাসওয়ার্ড দিয়ে অনুমতি দিন। ব্যস যা যা দরকার তা ইনস্টল হয়ে গেল।

এবার টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo gedit /etc/X11/Xsession.d/90im-switch

এখন টেক্সট এডিটর চালু হবে। সেখানে নিচের কোডটি কপি-পেষ্ট করে বসিয়ে সেভ করে দিন।
export XMODIFIERS="@im=SCIM"
export GTK_IM_MODULE="scim"
export XIM_PROGRAM="scim -d"
export QT_IM_MODULE="scim"

এখন রি-স্টার্ট দিন। কাজ শেষ।

এবার কোথাও বাংলা লিখতে হলে Ctrl + space bar চাপুন। তাহলে নিচে ডানদিকে SCIM টুলাবার দেখতে পাবেন। সেখানে ক্লিক করে Bengali → bn-unijoy নিবার্চন করে যেকোন জায়গায় অনায়াসে বাংলা লিখতে পারবেন। আবার ইংরেজিতে লিখতে হলে ঐ একই পদ্ধতি Ctrl + space bar চাপুন।

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০০৯

ছবির রাউন্ড কর্নার

অনেক সময় আপনি হয়ত আপনার ছবির কর্নারগুলো রাউন্ড অর্থাৎ কোণ আকৃতির নয় গোলাকার করতে চেয়ে থাকবেন। কিন্তু করতে পারছেন না। এর জন্য আপনার এখন খুব বেশি কষ্ট করার প্রয়োজন নেই। খুব সহজেই এর সমাধান করা যায়।

অনলাইন পদ্ধতি
প্রথমে নিচের সাইটে যান।
রাউন্ডপিক.কম
সেখানে browse বাটনে ক্লিক করে আপনার ছবির লোকেশন দেখিয়ে দিন। এবার round it! বাটনে ক্লিক করুন। ব্যাস হয়ে গেল এবার এখানের টুলবার ব্যবহার করে আপনি ইচ্ছে মত কর্ণার এর আকার ছোট-বড়, ব্যকগ্রাউন্ডের রং, সাইজ ইত্যাদি পরিবর্তন করতে পারবেন। চাইলে png ফরমেটেও ছবির কনভার্ট করতে পারেন।

গিম্প ব্যবহার করে
রথমে ছবিটি গিম্পে চালু করুন। এখন, Filters → Decor → Round Corners এ যান।
সেখানে Edge radius নির্বাচন করুন। অর্থাৎ ছবির কর্ণার কতটা রাউন্ড করবেন। আপনি চাইলে সেখান থেকে ব্যকগ্রাউন্ডে ছায়াও দিতে পারেন। এবার Ok ক্লিক করুন, হয়ে গেল আপনার ছবির রাউন্ড কর্নার।

চিত্রঃ মূল ছবি।


চিত্রঃ কর্ণার রাউন্ড করার পরের ছবি।

রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০০৯

লিনাক্স মিন্ট কি?



প্রারম্ভিকা
লিনাক্স মিন্ট পার্সোনাল কম্পিউটারের একটি অপারেটিং সিস্টেম। যা উবুন্টুর উপর ভিত্তি করে তৈরী হয়েছে। তবে এর ইউজার ইন্টারফেস উবুন্টু হতে কিছুটা ভিন্ন। এর সবচেয়ে মজার বিষয় হল এর লাইসেন্সিং পদ্ধতিও উবুন্টু হতে কিছুটা ভিন্ন। তাই এতে উবুন্টুর সকল রেষ্ট্রিকটেড এক্সট্রা দেয়া আছে। ফলে ইন্টারনেট হতে কিছু ডাউনলোড না করে স্বাচ্ছন্দেই এটা ব্যবহার করা যায়।

ডিফল্টভাবে দেয়া রেষ্ট্রিকটেড এক্সট্রার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে
  • এমপিথ্রি কোডেকঃ যার ফলে এমপিথ্রি গান শোনার জন্য নতুন করে কোডেক ইনস্টল করতে হয়না।

  • ডিভিডি সাপোর্টঃ এতে ডিফল্টভাবেই ডিভিডি দেখার ব্যবস্থা রয়েছে।

  • ফ্ল্যাশ প্লেয়ারঃ এতে ফ্ল্যাশ প্লেয়ারও দেয়া আছে। ফলে ইউটিউবের মত সাইট অনায়াসেই ব্রাউজ করা যায়।

  • জাভা সাপোর্টঃ এতে আলাদাভাবে জাভা ডাউনলোড করার কোন প্রয়োজনই নেই। এটাও দেয়া থাকে ডিফল্টভাবেই। . . .
মজার/সুবিধার দিক
  • প্রথমেই বলেছি এতে উবুন্টুর সকল রেষ্ট্রিকটেড এক্সট্রা দেয়া আছে।

  • আনরার (unrar) ইনস্টল করা আছে, ফলে অনায়াসেই কোন ঝামেলা ছাড়াই রার (RAR) ফাইল এক্সট্রাক্ট করা যায়।

  • আকর্ষণীয় গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস/গুই (GUI)।

  • চমৎকার গ্রাফিকাল বুট লোডার।

  • আকর্ষণীয় সব থিম, ডেস্কটপ লে-আউট।

  • টার্মিন্যালে ফরচুন যা টার্মিন্যাল ব্যবহারে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

  • লিনাক্স মিন্টকে অনেক বেশি আপন করে তুলতে এতে রয়েছে মিন্ট অ্যাসিস্টেন্ট, মিন্ট ব্যাকআপ, মিন্ট ইনস্টল, মিন্ট ন্যান্নি, মিন্ট আপডেট। সাথে বিভিন্ন প্রোগ্রামে চমৎকার মিন্টের নিজস্ব Splash স্ক্রীন। আর সাথে উবুন্টুর সব সুবিধাতো রয়েছেই . . .
জনপ্রিয় যেসব সফটওয়্যার রয়েছে
  • মোজিলা ফায়ারফক্স

  • মোজিলা থান্ডারবার্ড

  • এমপ্লেয়ার এবং এর ফায়ারফক্স প্লাগিন

  • পিজিন মাল্টিপ্রোটোকোল ইন্টারনেট ম্যাসেঞ্জার

  • APTonCD

  • জি-পার্টেড

  • Gufw ফায়ারওয়াল . . .
আর এই জন্যই লিনাক্স মিন্টকে অনেকে বলে থাকেন নতুন ব্যবহারীদের জন্য সেরা লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। সাথে যাদের বাসায় ইন্টারনেট সংযোগ নেই তাদেরকেও অনেকে এই জন্য লিনাক্স মিন্ট রিকমান্ড করে থাকে।

কিছু টেকি বিবরণ
অপারেটিং সিস্টেম ফ্যামিলিঃ ডেবিয়ান গুণহ/লিনাক্স (উবুন্টু)
সোর্স মডেলঃ ফ্রী সফটওয়্যার/ওপেনসোর্স
সর্বশেষ স্ট্যাবল রিলিজঃ লিনাক্স মিন্ট ৭ (গ্লোরিয়া)/২০০৯.০৫.২৬-বর্তমান
ভাষা সমর্থনঃ মাল্টিল্যাঙ্গুয়েজ
আপডেট প্রক্রিয়াঃ এপিটি
প্যাকেজ ম্যানেজারঃ ডিপিকেজি
প্লাটফর্মঃ x86, x86-64
কার্নেলের ধরণঃ মনোলিথিক
ডিফল্ট ইউজার ইন্টারফেসঃ নোম
লাইসেন্সঃ প্রধানত জিএনইউ জিপিএল/আরও অন্যান্য

কোডনেম নামকরণ
লিনাক্স মিন্টের কোডনেম নামকরণে যা যা বিবেচনা করা হয়ঃ
  • স্ত্রীবাচক নাম।

  • লিনাক্স মিন্টের প্রতিটি রিলিজের কোডনেমের প্রথম অক্ষর ইংরেজি অক্ষরের ক্রমানুসারে নির্ধারণ করা হয়। যেমনঃ ১.০ কোডনেম Ada, ২.০ Barbara, ৩.০ Cassandra ইত্যাদি।

  • শব্দের শেষের অক্ষর ইংরেজি অক্ষর এ (a) দিয়ে শেষ করা। যেমনঃ Ada, Bea, Bianca, Celena, Daryna, Elyssa, Felicia ইত্যাদি।
রিলিজ ধরণ
২০০৬ সালে হতে লিনাক্স মিন্ট ডেভেলপ করা শুরু হয়। পূর্বে লিনাক্স মিন্ট কোন রিলিজ সাইকেল মেনে চলত না। তবে লিনাক্স মিন্ট ৫ এলিস্যা - এর পর থেকে লিনাক্স মিন্ট আজীবন উবুন্টুর রিলিজ সাইকেল (৬ মাস পর পর) মেনে চলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

লিনাক্স মিন্ট তাদের পরবর্তী রিলিজ (কোড নেম, হেলেনা) উবুন্টু কার্মিক কোয়ালার উপর ভিত্তি করে নভেম্বর ২০০৯ এ রিলিজ দেবার ঘোষণা দিয়েছে। লিনাক্স মিন্টের সকল রিলিজ দেখুন এই লিংক - এ।

উল্লেখ্য লিনাক্স মিন্ট নোম ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট ছাড়াও কেডিই, এক্সএফসিই, ফ্লাক্সবক্স ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্টেও রিলিজ হয়ে থাকে।

জেনে রাখুন
  • লিনাক্স মিন্ট মেইন এডিশন = উবুন্টু ৩২ বিট ডেস্কটপ এডিশন (নোম ডিই)

  • লিনাক্স মিন্ট ইউনিভার্সাল এডিশন = উবুন্টু ৩২ বিট ডেস্কটপ এডিশন (নোম ডিই)

  • লিনাক্স মিন্ট এক্স৬৪ এডিশন = উবুন্টু ৬৪ বিট ডেস্কটপ এডিশন (নোম ডিই)

  • লিনাক্স মিন্ট কেডিই সিই = কুবুন্টু ৩২ বিট ডেস্কটপ এডিশন (কেডিই)

  • লিনাক্স মিন্ট এক্সএফসিই সিই= জুবুন্টু ৩২ বিট ডেস্কটপ এডিশন (এক্সএফসিই ডিই)
ডাউনলোড
নোট
  • লিনাক্স মিন্ট ইউনিভার্সল এডিশনে সম্পূর্ণ ল্যাঙ্গুয়েজ প্যাক দেয়া থাকে এবং কোন কোডেক দেয়া থাকেনা। যেসব দেশে বাণিজ্যিক কোডেকসহ লিনাক্স মিন্ট বিতরণ আইনত বৈধ নয়, সেসব দেশের জন্য এই ইউনিভার্সাল এডিশন তৈরী করা হয়।

  • ডিই/DE = ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট/Desktop Environment

  • সিই/CE = কমিউনিটি এডিশন/Community Edition
সর্বশেষ আপডেটঃ সেপ্টেম্বর ৩০, ২০০৯

বুধবার, ১১ মার্চ, ২০০৯

উবুন্টুতে ড্রাইভের নাম (লেবেল) পরিবর্তন

ছয় ধরণের পার্টিশন প্রোগাম রয়েছে যেগুলো পার্টিশন লেবেল করতে ব্যবহৃত হয়। সেগুলো হচ্ছেঃ
mtools, ntfsprogs, e2label, jfs_tune, reiserfstune এবং xfs_admin। এখানে আমি এনটিএফএস পার্টিশনের ক্ষেত্রে নাম পরিবর্তনের পদ্ধতি উল্লেখ করছি। প্রথমে আপনার পার্টিশনের অবস্থা দেখে নিন। টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo fdisk -l
এখন ntfsprogs (এনটিএফএস – এর জন্য) ইনস্টল করে নিন। টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo apt-get install ntfsprogs
এরপর পার্টিশন চেক করতে নিচের ফরমেট অনুযায়ী কমান্ড টার্মিন্যালে লিখুনঃ
sudo ntfslabel 
যেমনঃ
sudo ntfslabel /dev/sda5
লেবেল পরিবর্তন করতে নিচের ফরমেট অনুযায়ী কমান্ড টার্মিন্যালে রান করুনঃ
sudo ntfslabel  
যেমনঃ
sudo ntfslabel /dev/sda5 Miscellaneous

এনটিএফএস ছাড়া অন্যান্য পার্টিশনের লেবেল সম্পর্কে জানতে,
https://help.ubuntu.com/community/RenameUSBDrive

উবুন্টুতে ইনস্টল করুন মাইক্রোসফট-এর ফন্ট

মাইক্রোসফট এর ফন্ট Andale Mono, Arial Black, Arial (Bold, Italic, Bold Italic), Comic Sans MS (Bold), Courier New (Bold, Italic, Bold Italic), Georgia (Bold, Italic, Bold Italic), Impact, Times New Roman (Bold, Italic, Bold Italic), Trebuchet (Bold, Italic, Bold Italic), Verdana (Bold, Italic, Bold Italic), Webdings - উবুন্টতে ইনস্টলে টার্মিন্যালে লিখতে হবেঃ
sudo apt-get install msttcorefonts
অতপর একটি গ্রিট (Greet) স্ক্রীন আসবে সেখানে OK দিতে হবে। ইনস্টলেশন শেষে টার্মিন্যালে রান করতে হবেঃ
sudo fc-cache

রবিবার, ১ মার্চ, ২০০৯

উবুন্টুতে চলবে লেক্সমার্ক জি৬০০ এবং জি৬৪৫ ইংকজেট প্রিন্টার

বাসায় ব্যবহারের জন্য খুবই জনপ্রিয় একটি ইংকজেট প্রিন্টার হচ্ছে লেক্সমার্ক জি৬০০ এবং জি৬৪৫ (Z600 & Z645)। কিন্তু এর ড্রাইভারের দেখা উবুন্টুর সর্বশেষ ভার্সন ইন্ট্রাপিড অাইবেক্স-এ ও মেলেনি। তাই যারা এতদিন উবুন্টুতে তাদের প্রিন্টার চালাতে পারেননি তারা খুব সহজেই deb প্যাকেজ ইনস্টল এর মাধ্যমে চালাতে পারবেন জি৬০০ এবং জি৬৪৫ প্রিন্টার।

deb প্যাকেজ ডাউনলোড করতেঃ
উপরোক্ত ফাইল দুটো ইনস্টল করার পূর্বে অাপনার ইন্টারনেট সংযোগ সক্রিয় আছে কিনা নিশ্চিত করুন। অতঃপর যথাক্রমে z600cups এবং z600llpddk ইনস্টল করুন।

এবার প্রিন্টার কনফিগারের পালা। প্রথমে System অথবা mintMenu → Administration → Printing → New → XXX (প্রিন্টারের নাম ও সিরিজ) → Make and Model এর Change → Lexmark → z600 (লিস্টের সবার শেষে) → Forward → Apply করুন। জি৬৪৫ এর ক্ষেত্রেও z600 চিহ্নিত করুন।